রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের ফরিদপুর জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফারুক হোসেন (৭২) এক নারীসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন। সোমবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফরিদপুর শহরের ঝিলটুলী এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শামছুল আজম। তিনি বলেন, ডায়াবেটিক হাসপাতাল সংলগ্ন ঝিলটুলী এলাকার বাসা থেকে ফারুক হোসেনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ফ্ল্যাটে উপস্থিত এক নারীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ফারুক হোসেনের নামে বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দুটি মামলা রয়েছে। একটি মামলায় পুলিশ বাদী হয়ে অভিযোগ করেছে, আরেকটি মামলায় বাদী হয়েছেন শহরতলির মামুদপুর এলাকার মুজাহিদ ইসলাম। ওই মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১২৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৩০০–৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ৪ আগস্ট বাদীর মেয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিলে হামলার ঘটনা ঘটে। পরে বাদী নিজেও হামলার শিকার হন এবং হামলাকারীরা তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়।
ফারুক হোসেন এর আগে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক বিদেশে অবস্থান করায় তিনি সম্প্রতি নিজেকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন।
কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল্লাহ বিশ্বাস বলেন, ফারুক হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা দুটি মামলার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
