জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির রায় আগামী ১৭ নভেম্বর ঘোষণা করা হবে। একই দিনে আওয়ামী লীগের অগ্নিসন্ত্রাস প্রতিরোধে সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জুলাই ঐক্য।
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও চলমান পরিস্থিতি’ শীর্ষক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কর্মসূচি জানান জুলাই ঐক্যের সংগঠক ও ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর সরকারের কাজ ছিল গণহত্যার বিচার, দেশ সংস্কার এবং সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন। কিন্তু সরকার এই তিনটি মৌলিক কাজের বাইরে সবকিছু করছে। জুলাই সনদের পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। প্রশাসনে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন, চাঁদাবাজদের নিরাপত্তা দেওয়া—এসবই কয়েকজন উপদেষ্টার প্রভাবে ঘটছে বলে দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি একে অপরকে দোষারোপ করছে মন্তব্য করে সব ‘জুলাইয়ের গাদ্দারদের’ নাম প্রকাশের দাবি জানান তিনি।
এসময় ১৭ নভেম্বরের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—সারাদেশে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান কর্মসূচি, রাজধানীর শাহবাগে জনতার আদালতে খুনি হাসিনার প্রতীকী ফাঁসি এবং ফ্যাসিবাদের দোসরদের প্রতীকী গণ পাথর নিক্ষেপ।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক ও ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, মঞ্চ ২৪ আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী, জাগ্রত জুলাইয়ের সভাপতি ও জুলাই ঐক্যের সংগঠক কবি বোরহান মাহমুদ, শিল্প উদ্যানের আহ্বায়ক মইন মুন্তাসিরসহ অন্যান্য সদস্যরা।
