তিনি বলেন, জুলাই সনদ গণভোটে পাস হলে এবং পরবর্তীতে নতুন সংসদে সংবিধান সংস্কার সভা সেটি অনুমোদন করলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সবকিছু নির্ভর করছে সনদটি গণভোটে অনুমোদিত হয় কি না এবং সংবিধান সংস্কার সভা তা গ্রহণ করে কি না।
এর আগে আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায়কে অবৈধ ঘোষণা করে এবং ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বৈধ বলে রায় দেয়, যার মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনর্বহাল হয়।
আইনজীবী শিশির মনির বলেন, এ রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিরে এসেছে। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে। চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কার্যকর হবে; অর্থাৎ সংসদ ভেঙে দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হবে।
সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে আরও বলা হয়, যদিও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিরে এসেছে, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে, এবং চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে থেকে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা কার্যকর হবে।
