নীলফামারীতে জেলা শহরের পৌর বাজার কার্যালয়ে এসে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন ‘রামগঞ্জ ট্র্যাজেডি ও জুলাই হত্যা’ মামলার আসামি হেদায়েত আলী শাহ ফকির। তিনি সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষকলীগের সহসভাপতি। মঙ্গলবার দুপুরে নীলফামারী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন হেদায়েত আলী শাহ ফকির। তার সঙ্গে আরও নয়জন ইউপি সদস্য বিএনপিতে যোগ দেন।
যোগদান শেষে শুভেচ্ছা বক্তব্যে হেদায়েত আলী শাহ ফকির বলেন, তুহিনের মতো একজন প্রার্থী পাওয়াকে তারা গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন। নীলফামারীর উন্নয়নের জন্য তার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার হাত ধরেই এলাকায় পরিবর্তন সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুক, সদস্যসচিব এ এইচ এম সাইফুল্লাহ রুবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল পারভেজ ও মোস্তফা হক প্রধান বাচ্চু এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জেলা আহ্বায়ক প্রবীর গুহ রিন্টুসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, নীলফামারীকে নিরক্ষরমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে তার। পাশাপাশি শিক্ষানগরী ও স্বাস্থ্যনগরী হিসেবে জেলা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। শুধু ইপিজেডে নয়, আরও এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তুহিন। দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নীলফামারীর উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। নির্বাচিত হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে নীলফামারীকে রংপুর বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
বিএনপিতে যোগদানকারী ইউপি সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মশিউর রহমান, মজিবুল হক, বিজয় চন্দ্র, আহাদ আলী, মোহাম্মদ মজনু, মনি বেগম, আঞ্জুআরা বেগম ও মমতা বেগম। অনুষ্ঠান শেষে যোগদানকারীদের মিষ্টিমুখ করান প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন।
