জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, মহান স্বাধীনতা দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে একটি জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এই দিনটি জাতির জন্য গৌরবময় এবং আত্মমর্যাদার প্রতীক। মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই অর্জিত হয়েছে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।
একই সঙ্গে নির্যাতিত বীরাঙ্গনাদের অবদানও তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন, যাদের ত্যাগ জাতির ইতিহাসকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা কেবল একটি ভূখণ্ড অর্জনের ঘটনা নয়; এটি ছিল ন্যায়, সাম্য, গণতন্ত্র ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতি। তবে স্বাধীনতার এত বছর পরও সেই লক্ষ্য পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, গণতান্ত্রিক ধারাকে ব্যাহত করে দেশে বারবার স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং রাষ্ট্রকে দুর্বল করে বিদেশি প্রভাবের কাছে নত হওয়ার প্রবণতা দেখা গেছে।
তবুও দেশের মানুষ কখনোই পরাজয় মেনে নেয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, অধিকার ও স্বাধীনতার প্রশ্নে জনগণ বারবার জেগে উঠেছে। সাম্প্রতিক গণআন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে দেশ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার হয়েছে।
নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান—মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে সত্য, ন্যায় ও দেশপ্রেমের আদর্শে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।
বাণীর শেষে তিনি দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
