সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসে মোতায়েন করা মার্কিন বিমান বাহিনীর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘ই-থ্রি-সি সেন্ট্রি’ (E-3C Sentry) আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল এয়ারক্রাফট ধ্বংস হয়েছে। ধ্বংস হওয়া এই বিমানটির টেইল নম্বর ৮১-০০০৫ বলে জানা গেছে। এই ধরনের অত্যাধুনিক নজরদারি বিমান হারানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সামরিক দিক থেকে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হামলার ধরনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের নিখুঁত নিশানার সক্ষমতা। দেখা গেছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি বিমানটির একদম রাডার ডোমে পিনপয়েন্ট আঘাত হেনেছে। সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানকে কোনো বড় শক্তি রিয়েল টাইম স্যাটেলাইট ইমেজ এবং উন্নত গাইডেন্স ক্যাপাবিলিটি সরবরাহ করছে, যার ফলে তারা এত সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হচ্ছে।
একই হামলায় প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসে থাকা মার্কিন বিমান বাহিনীর একাধিক ‘কেসি-১৩৫ স্ট্রাটোট্যাংকার’ (KC-135 Stratotanker) রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফটও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব বিমান সাধারণত মাঝ আকাশে অন্য যুদ্ধবিমানকে জ্বালানি সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মার্কিন ঘাঁটিতে এ ধরনের সুনির্দিষ্ট হামলার ঘটনায় অঞ্চলটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এবং পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে গভীর পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে।
