বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী শাসন আমলে রাজপথে সক্রিয় থেকে সর্বাত্মক লড়াই চালিয়ে গেছেন পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি গণমানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে দুই শতাধিক মিথ্যা মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। অমানবিক নির্যাতন সহ্য করার পাশাপাশি তাকে দীর্ঘ সাড়ে চার বছর কারাজীবন অতিবাহিত করতে হয়েছে।
কারাগারে থাকাকালীন তার ওপর চালানো নির্যাতনের চিত্র ছিল ভয়াবহ। অভিযোগ রয়েছে, ৬৭ দিনের দীর্ঘ রিমান্ডে নিয়ে তাকে শারীরিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি আদালতের জামিন আদেশ থাকার পরেও বারবার জেলগেট থেকে তাকে নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানো হতো। এক পর্যায়ে তাকে ক্রসফায়ারে দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে জানা যায়।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে ড. মাসুদের পরিবারকেও। তার অন্তঃসত্ত্বা চিকিৎসক স্ত্রীকে র্যাব দিয়ে তুলে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগ রয়েছে, যার ফলে গর্ভে থাকা শিশুটি মৃত্যুর মুখে পতিত হয়। পরিবারের ওপর এমন নিষ্ঠুর আচরণের পরও তিনি নিজের রাজনৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
এত জেল-জুলুম, মামলা ও শারীরিক নির্যাতনের পরও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ সাধারণ মানুষের অধিকারের পক্ষে নিজের অবস্থান অনড় রেখেছেন। শত প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন এবং বর্তমানেও তার রাজনৈতিক অবস্থানে দৃঢ় রয়েছেন। তার এই দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে বারবার আলোচিত হয়েছে।
