চৈত্র মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিপাত হওয়ায় আবহাওয়া তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক ছিল। কোথাও কোথাও বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টিও হয়েছে।
মার্চ মাসে স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হওয়ায় তাপমাত্রা তেমন বাড়েনি; বরং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল।
তবে ১৫ চৈত্রের পর থেকে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। সূর্যের তাপ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে চৈত্র-বৈশাখে তাপপ্রবাহ আরও তীব্র হতে পারে। একই সময়ে কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টি এবং উপকূলীয় এলাকায় শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কাও রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে দেশে ২ থেকে ৪টি মৃদু তাপপ্রবাহ হতে পারে, যেখানে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। পাশাপাশি ১ থেকে ২টি তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হয়ে তা নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে এবং শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
