বিএনপি সরকারের একটি প্রভাবশালী অংশ আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে চলতি মাসের মধ্যেই মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে এই বিষয়ে নীতিগত আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে কারাগার থেকে সরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশের বিভিন্ন মহলে গভীর উদ্বেগ ও শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞ ও সাধারণ মানুষ মনে করছেন, ইসকন এবং চিন্ময় দাসের কর্মকাণ্ড দেশে হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডা বাস্তবায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই পরিস্থিতিতে তাকে মুক্তি দেওয়া হলে দেশের শান্তিশৃঙ্খলা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে যে, চিন্ময় দাসের পূর্ববর্তী কার্যক্রম ও বিতর্কিত বক্তব্য দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য আগে থেকেই হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এ অবস্থায় তাকে মুক্তি দিলে উগ্রবাদী তৎপরতা পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে, যা সামাজিক স্থিতিশীলতাকে সরাসরি নষ্ট করবে বলে অনেকে মনে করেন। এই পদক্ষেপের ফলে হিতে বিপরীত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস কারাগার থেকে বেরিয়ে এলে দেশে আরও ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। ধর্মীয় সংঘাত এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা থেকে অনেকেই এই সম্ভাব্য মুক্তির বিরোধিতা করছেন। জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ বিবেচনা করে আইনি প্রক্রিয়ায় কঠোর অবস্থান বজায় রাখার জোর দাবি উঠেছে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন থেকে।
