ইরানের ইসফাহান-এ পরিত্যক্ত রানওয়ে ব্যবহার করে ইউরেনিয়াম চুরির একটি সামরিক পরিকল্পনা আগেই করেছিল যুক্তরাষ্ট্র—এমন দাবি ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ইসফাহানের অনুরূপ ভূখণ্ড, আবহাওয়া ও পরিবেশ বিবেচনায় রেখে ২০২৩ সালেই একটি বিশেষ মহড়া পরিচালনা করা হয়।
ওই মহড়ার নাম ছিল USAF Agile Chariot Exercise 2023। ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইওমিং অঙ্গরাজ্যে এটি অনুষ্ঠিত হয়। United States Air Force Special Operations Command-এর নেতৃত্বে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণে অ্যাজাইল কমব্যাট এমপ্লয়মেন্ট (ACE) কৌশলের বাস্তব প্রয়োগ পরীক্ষা করা হয়।
মহড়ায় প্রচলিত বিমানঘাঁটির পরিবর্তে জনসাধারণের হাইওয়েকে অস্থায়ী রানওয়ে হিসেবে ব্যবহার করে বিমান অবতরণ, জ্বালানি সরবরাহ, অস্ত্রায়ন এবং দ্রুত পুনরায় উড্ডয়নের সক্ষমতা যাচাই করা হয়। এতে ছোট ও বিচ্ছিন্ন স্থানে দ্রুত অপারেশন পরিচালনার কৌশল অনুশীলন করা হয়।
মহড়ায় অংশ নেওয়া বিমানগুলোর মধ্যে ছিল MC-130J Commando II, A-10 Thunderbolt II, MQ-9 Reaper এবং MH-6 Little Bird।
দাবিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ২ ও ৩ এপ্রিল একই ধরনের বিমান ও কৌশল ব্যবহার করে ইসফাহানে অভিযান চালায় মার্কিন যৌথ বাহিনী। তবে অভিযানে প্রবেশের পর তাদের মূল আকাশ গোয়েন্দা ও আক্রমণ সক্ষমতা ভেঙে পড়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
এতে আরও দাবি করা হয়, অভিযানের সময় একাধিক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয় এবং ড্রোন ধ্বংসের ফলে গোয়েন্দা সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে উদ্ধার অভিযানে ব্যবহৃত হেলিকপ্টারও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।
শেষ পর্যন্ত ৮ থেকে ১০টি বিমান হারিয়ে একটি বিমান নিয়ে পিছু হটার পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো স্বাধীন বা আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
