১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা মানি লন্ডারিং ও ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী ও অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরের আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ প্রদান করেন।
দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে জানান, আসাদুজ্জামান নূর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বেশি মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া ১৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নামে ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকারও বেশি সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল আয়কর নথি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
এর আগে গত বছরের জুলাই মাসে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। সেই মামলার ধারাবাহিকতায় গত সেপ্টেম্বরে তার মালিকানাধীন চারটি ফ্ল্যাট, ১০ কাঠা জমি এবং ১৬টি ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী নিশ্চিত করেছেন যে, আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশসহ যাবতীয় রেকর্ডপত্র এখন দুদকের হেফাজতে থাকবে। আসাদুজ্জামান নূরের বিরুদ্ধে ওঠা এসব গুরুতর আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে বর্তমানে নিবিড় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
