সাবেক ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুল বিসিবি কার্যালয়ে তাঁর তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে বলেছেন, পূর্বাচল থেকে ফিরে তিনি জানতে পারেন তাঁদের বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। হঠাৎ করেই বিসিবি কার্যালয়টি একটি রাজনৈতিক অফিসে পরিণত হয় এবং শত শত লোক সেখানে ভিড় করতে থাকে। একপর্যায়ে নিরাপত্তার অভাব বোধ করায় নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও খালেদ মাসুদ পাইলটসহ তিনি অফিস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
লিজেন্ডারি এই ক্রিকেটারদের প্রতি এমন আচরণকে ক্রীড়াঙ্গনের জন্য লজ্জাজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে। কিংবদন্তি খেলোয়াড়দের নূন্যতম সম্মান প্রদর্শন না করে কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের মাঠ পরিদর্শনের মাঝেই বোর্ড ভেঙে দেওয়ার তথ্যটি কোনো আনুষ্ঠানিক মাধ্যমে জানানো হয়নি।
বুলবুলের বক্তব্যের পর অভিযোগ উঠেছে যে, কোনো আইনি আদেশ বা লিখিত নোটিশ ছাড়াই রাজনৈতিক কায়দায় বিসিবি কার্যালয় দখল করা হয়েছে। অভিযোগের আঙুল উঠেছে ক্রিকেটার তামিম ইকবাল ও তাঁর সহযোগীদের দিকে। এই ঘটনাকে দেশের ক্রীড়া ইতিহাসের একটি ‘কালো অধ্যায়’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন অনেক ক্রীড়াপ্রেমী।
ক্রীড়াঙ্গনে বিশৃঙ্খলা ও লিজেন্ডদের এমন অবমাননা ভবিষ্যতে বিসিবির মর্যাদাকে সংকটে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক শক্তির প্রভাব খাটিয়ে বিসিবি দখলের এই সংস্কৃতি দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তিকে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
