চরমপন্থা মোকাবিলায় পশ্চিমা ধাঁচের পুনর্বাসন কর্মসূচির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব সম্প্রদায়ভিত্তিক কৌশল গ্রহণ করছে সিরিয়া। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে চরমপন্থা নিরসনের ক্ষেত্রে দেশটি পরিবার, সমাজ এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করে নতুন এই হস্তক্ষেপমূলক কৌশলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
এই নতুন উদ্যোগগুলোর মূল লক্ষ্য হলো পরিবারে পুনঃএকীভূতকরণ, বিবাহের মাধ্যমে সামাজিক সংযুক্তি বৃদ্ধি এবং ধর্মীয় আলোচনার মাধ্যমে উগ্রবাদী মতাদর্শকে গোড়া থেকে চ্যালেঞ্জ করা। এসব কার্যক্রম সম্পূর্ণ ইসলামী চিন্তাধারার কাঠামোর মধ্য থেকেই চরমপন্থী ব্যাখ্যা ও মতাদর্শের মোকাবিলা করার লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।
কৌশলটির অংশ হিসেবে উগ্রপন্থী সংগঠন ইসলামিক স্টেট (IS)-এর সমর্থক ব্যক্তিদের প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রচলিত চরমপন্থী ধর্মীয় ব্যাখ্যাগুলোকে মূলধারার ইসলামী যুক্তি ও ধর্মীয় আলোচনার মাধ্যমে খণ্ডন করার কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মূলত এই পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য হলো উগ্রবাদী মতাদর্শকে বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া কোনো মতবাদ দিয়ে নয়, বরং তার নিজস্ব ধর্মীয় যুক্তির ভেতর থেকেই খণ্ডন করে চ্যালেঞ্জ করা। এর ফলে উগ্রবাদ থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের সমাজে পুনর্বাসন অনেক বেশি সহজ ও স্থায়ী হচ্ছে।
