০৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে দেশের যেকোনো ঘটনার সঙ্গে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরকে দায়ী করে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে বিএনপি ও শাহবাগী এক্টিভিস্টরা—এমন অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আগে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ একই কৌশলে যেকোনো অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দায়ভার জামায়াত-শিবিরের ওপর চাপিয়ে দিত, আর বর্তমানে বিএনপি ও তাদের সহযোগীরা সেই একই পথ অনুসরণ করছে।
সম্প্রতি ঢাবির এক শিক্ষার্থীকে শিবির নেতা হিসেবে প্রচার করে বিএনপি–ঘনিষ্ঠ ফাহাম আব্দুস সালাম ও তার গুজব সেল। পরে ওই শিক্ষার্থী নিজে লাইভে এসে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও তার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করে। এতে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা মিথ্যা প্রমাণিত হয়।
অভিযোগ উঠেছে, ফাহাম ও রাশেদ খানদের নেতৃত্বাধীন বিএনপির গুজব সেল এখনও এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। আজ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরাল পাগলার দরবারে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ ঘটনার জন্য স্থানীয়রা বিএনপি ও আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের কথা বললেও ছাত্রদল ও শাহবাগী এক্টিভিস্টরা এর দায়ভারও জামায়াত ও ইসলামপন্থীদের ওপর চাপিয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এসব মিথ্যাচার মূলত জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও প্রকৃত দায়ীদের আড়াল করার কৌশল।
