ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানকে ডেনমার্কে বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে—এমন খবর সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। তবে বিষয়টি নিয়ে ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তাঁর কাছে কোনো প্রস্তাব আসেনি।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) তিনি বলেন, “আমার কাছে এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রস্তাবনা আসেনি। যদি আসে, আমি বিবেচনা করে দেখব।”
তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নিয়েছি দেশের একটি ক্রান্তিকালীন সময়ে। দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এমন একটি উদাহরণ স্থাপন করার চেষ্টা করেছি, যাতে পরবর্তী যারা আসবেন তারা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়কে কোনো সংকটময় অবস্থায় ফেলে আমি দায়িত্ব ছাড়ব না।”
তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোপেনহেগেনে অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানকে গ্রহণে সম্মতি চেয়ে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি (এগ্রিমো) পাঠিয়েছে। এখন ডেনমার্ক সরকারের ক্লিয়ারেন্স পাওয়া বাকি রয়েছে। সবকিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে আগামী তিন মাসের মধ্যেই তিনি নতুন দায়িত্ব নিতে পারেন।
খবরে আরও উল্লেখ করা হয়, শুধু অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানই নন—অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠ তিন সহযোগীকেও রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব চলছে। তারা হলেন এসডিজি বিষয়ক দূত লামিয়া মোর্শেদ, আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক বিশেষ দূত লুতফে সিদ্দিকী এবং তাঁর বোন হুসনা সিদ্দিকী।







