আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিরোধিতা ও বহিরাগত এক মনোনয়নপ্রত্যাশীর পক্ষে প্রচারণার অভিযোগে উপজেলা যুবদলের পাঁচ শীর্ষ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। বুধবার (১৯ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় সহ–দপ্তর সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম তুহিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নোটিশ জারি করা হয়।
নোটিশপ্রাপ্ত নেতারা হলেন—কালিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শেখ আলাউদ্দিন সোহেল, সদস্য সচিব শেখ এম. আজিজ, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী রাব্বী হোসেন, আশাশুনি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুল ইসলাম এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদ জজ।
চিঠিতে জানানো হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সামনে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, দায়িত্ব পালনের সময় উপজেলা যুবদলের নাম–পরিচয় ব্যবহার করে মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া দলীয় নীতিমালা ও শৃঙ্খলার গুরুতর লঙ্ঘন। এতে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে, তৃণমূল পর্যায়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি অবমাননাকর আচরণের অভিযোগও তদন্তাধীন রয়েছে। দলের কঠিন সময়ে এমন কর্মকাণ্ড চলমান আন্দোলন ও সংগঠনের ঐক্যকে বাধাগ্রস্ত করছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর ৩ নভেম্বর এসব নেতা সাতক্ষীরা–৩ আসনে মনোনয়ন পাওয়া কাজী আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং মনোনয়নবঞ্চিত ডা. শহিদুল আলমকে প্রার্থী ঘোষণার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলের সমর্থনে নেতিবাচক প্রভাব দেখা দেয়।







