ঢাকা-৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেন বলেছেন, নিষিদ্ধ কার্যক্রম চালানো আওয়ামী লীগকে আর বাংলাদেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না। শনিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ইশরাকের দাবি, শেখ হাসিনা ‘গুপ্ত সন্ত্রাসীদের’ ব্যবহার করে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে সবাইকে বিভেদ ভুলে এগোতে হবে, না হলে বহিঃশত্রুরা দেশকে ‘করদ রাষ্ট্রে’ পরিণত করতে পারে। জুলাই আন্দোলনের শক্তিকে ধরে রাখতে সব দলের ঐক্য জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা থাকলে মানুষের অধিকার নিশ্চিত হয়। ছাত্র–জনতা যে পরিবর্তনের পথ তৈরি করেছে, সেই সুযোগ তাঁরা কাজে লাগাতে চান। গত ১৫–১৬ বছরের ‘দানবীয় সরকার’ দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল প্রশ্ন তোলেন, দেশে এত মুসলমান, মসজিদ–মাদ্রাসা ও আলেম–উলামা থাকা সত্ত্বেও এত অন্যায়, দুর্নীতি ও অপরাধ কেন। তিনি বলেন, মসজিদ তৈরিতে মানুষের আগ্রহ থাকলেও সৎ মানুষ গড়ার আগ্রহ তেমন দেখা যায় না।
জামায়াত বিষয়ে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, গত ১০ বছরে ফ্যাসিবাদবিরোধী কোনো দৃশ্যমান ভূমিকা রাখেনি জামায়াত। এতদিন ‘পিআর রাজনীতি’ করে এখন তারা সুর নরম করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা ইসলাম সমর্থন করে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।







