কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রতি দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত টান ও উন্নয়নমুখী রাজনীতিতে আস্থার কারণে স্থানীয় আওয়ামী লীগের ৩০ জন নেতাকর্মী একযোগে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। এতে পেকুয়ার রাজনীতিতে নতুন আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সালাহউদ্দিন আহমেদের দায়িত্বকালেই পেকুয়া উপজেলায় রূপান্তর ও অবকাঠামো উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখা হয়। সেই সময়ের বিভিন্ন উন্নয়নমুখী উদ্যোগ তাকে স্থানীয়দের কাছে ‘পেকুয়ার প্রতিষ্ঠাতা’ হিসেবে পরিচিতি দেয়। দীর্ঘদিন দেশ থেকে বাইরে থাকলেও তার জনপ্রিয়তা কমেনি বলে জানা গেছে।
গত ২২ নভেম্বর রাতে বারবাকিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির কাউন্সিল ও সম্মেলনে যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন নতুনদের ফুল দিয়ে বরণ করেন। তিনি জানান, সালাহউদ্দিন আহমেদের আদর্শ ও নেতৃত্বে আস্থার কারণেই নেতাকর্মীরা দলে এসেছেন।
যোগদানকারীদের মধ্যে আছেন আবুল কাশেম, শাহাদাত, আমির হোসাইন, মোহাম্মদ কামাল, বদিউল আলম, কাছিম, বাদল চন্দ্র শীলসহ মোট ৩০ জন। তাদের মধ্যে প্রবীণ নেতা আবুল কাশেম বলেন, সালাহউদ্দিন আহমেদ পেকুয়ার জন্য যে কাজ করেছেন, তা ভোলার মতো নয়। ভবিষ্যৎ নির্বাচনে তাকে জয়ী করতেই তারা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।
অন্যদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা মন্তব্য করেন—যারা বিএনপিতে গেছেন তারা মূলধারার সক্রিয় নেতাকর্মী ছিলেন না এবং সুবিধাবাদী মনোভাব থেকেই দলবদল করেছেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, ওয়ার্ড পর্যায়ে এই ঘটনাটি স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তার বিপরীতে জামায়াত থেকে লড়বেন অধ্যাপক মইনুল আহসান হাসান ও আবদুল্লাহ আল ফারুক। নতুন রাজনৈতিক স্রোতের ফলে আসন্ন নির্বাচনে এ এলাকার পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে বলে ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।







