সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী মহিউদ্দিনকে দলীয় অর্থ আত্মসাত, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সংগঠনে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কমিটির দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের স্বাক্ষরিত সিদ্ধান্তপত্র ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
২২ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় ফৌজদারহাট জলিল স্টেশনে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে আহ্বায়ক কমিটির এক জরুরি সভায় তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অনাস্থা প্রস্তাব গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র সদস্য চেয়ারম্যান নুরুল আনোয়ার এবং পরিচালনা করেন সদস্য জাহিদুল হাসান।
উঠে আসা অভিযোগ
সভায় বলা হয়, কাজী মহিউদ্দিন—
তৃণমূল নেতাকর্মীদের হুমকি দিতেন,
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে একক সিদ্ধান্তে সংগঠন পরিচালনা করতেন,
সংগঠনকে পারিবারিক কাঠামোয় রূপ দিতে চেষ্টা করতেন,
দলীয় তহবিল থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন,
নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি ভেঙে দেন।
তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ, তিনি একক সিদ্ধান্তে কাবিখাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিজের পছন্দের লোকদের বরাদ্দ দেন, যা দলের গঠনতন্ত্রবিরোধী।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মোরসালিন বলেন, ইউনিয়ন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতামত না নিয়েই কাজী মহিউদ্দিন প্রকল্প বণ্টন করেছেন। মিটিংয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠে এসেছে।
সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জহুরুল আলম জহুর জানান, সংগঠনের অধিকাংশ প্রভাবশালী নেতা ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক অনিয়মের কারণে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত নথি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।







