বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম অভিযোগ করেছেন, স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমান বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বহু মানুষকে হত্যা করেছিলেন। তার দাবি, শেখ হাসিনা ‘ফ্যাসিবাদের ধারক’ হয়ে দেশের ওপর ‘গুরুতর বিপর্যয়’ ডেকে এনেছেন। তিনি বলেন, জনগণ লাঞ্ছনা ও হত্যার শিকার হলেও শেষ পর্যন্ত তার ‘রক্তচক্ষুকে ভয় না পেয়ে’ তাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করেছে।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ আব্দুল আজিজ মেমোরিয়াল স্কুল মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ছাত্র–যুব সমাবেশে তিনি এসব বক্তব্য দেন।
সাদ্দাম বলেন, “অসহায় মানুষ আজ প্রশ্ন তুলছে—ফ্যাসিবাদের সময়ে ৫ টাকা চাঁদা দিলেই চলত, এখন দিতে হয় ২০ টাকা। তাহলে আমরা কোন মুক্তি পেলাম? চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আজ মানুষ ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করেছে। তারা অপেক্ষা করছে—ফেব্রুয়ারিতে তারা ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে নিজেদের রায় দেবেন। চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে বিপ্লবের প্রয়োজন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “কালো টাকার প্রভাব এবং বিদেশি অস্ত্র ঢুকিয়ে ভোটকেন্দ্র দখলের মাধ্যমে দেশকে জিম্মি করে ক্ষমতার পালাবদল ঘটানো হয়েছে। দেশকে সন্ত্রাসের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ তা মেনে নেবে না।”
সমাবেশে জেলা জামায়াতে ইসলামী বাগেরহাট শাখার শূরা সদস্য অধ্যক্ষ আলতাফ হোসেন সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল করিম। এ ছাড়া বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, বাগেরহাট-৪ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম, বাগেরহাট-৩ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-২ আসনের প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, কচুয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মো. রফিকুল ইসলাম, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক শাহাদাত হোসেন এবং শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এনামুল কবির।
আরও সংক্ষিপ্ত সংস্করণ বা শিরোনাম চাইলে জানাতে পারেন।






