ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ বিন ফয়সালকে নিয়ে বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য ও পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে ঘটনাটির সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ওয়াশিউ ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি দাউদ বিন ফয়সাল আদাবর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিসেবেও পরিচিত। তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সিএসই বিভাগে ২০০৭ সালে পড়াশোনা শুরু করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। অতীতে তিনি কারাবন্দীও ছিলেন। গত ২৮ অক্টোবর হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। আদাবরের শম্পা মার্কেটের পাশেই তার অফিস।
সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনার পর দাউদের গতিবিধি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। জানা গেছে, তিনি প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাদির নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার কথা বলে ইনকিলাব সেন্টারে যাতায়াত করছিলেন এবং প্রচারণাতেও সক্রিয় ছিলেন।

ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে কিছু ব্যক্তি দাবি করেছেন, হামলাকারীর আচরণ ও শারীরিক ভঙ্গিমা বাঁহাতি হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। ফুটেজে দেখা যায়, হামলার সময় শুটার বাম হাতে গালে ভর দিচ্ছিল, যা সাধারণ ব্যবহারের সঙ্গে ভিন্ন। এছাড়া তার চুল ও কপালের নির্দিষ্ট অংশে মিল পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট কিছু পর্যবেক্ষক।
এ ঘটনায় এখনো চূড়ান্তভাবে কারো নাম নিশ্চিত করা না হলেও বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহীত তথ্য ও সিসিটিভি বিশ্লেষণ তদন্তের অংশ হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে।







