শরীফ ওসমান হাদি খুনের ঘটনার পর সন্দেহভাজনদের পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। বিজিবি শনিবার ও রোববারের প্রেস ব্রিফিংয়ে জানায়, বিজিবির সদর দপ্তরের নির্দেশনায় শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ময়মনসিংহ এলাকার সীমান্ত সিল করা হয়। ওই প্রেস ব্রিফিংয়ের ভিডিও লিংক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, হাদিকে গুলি করা হয় দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে। সে হিসাবে সীমান্ত সিল করার আগ পর্যন্ত প্রায় ছয় ঘণ্টা সময়ের ব্যবধান ছিল। এ সময়ের মধ্যে খুনিরা পালানোর সুযোগ পেতে পারে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাতিমা তাসনিম জুমা লিখেছেন, প্রধান উপদেষ্টা নাকি নিশ্চিত করেছেন যে হাদীকে গুলিবিদ্ধ করার তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যেই সীমান্ত সিল করা হয়েছিল। সে হিসাবে সীমান্ত সিল হওয়ার সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে হওয়ার কথা। তবে বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সীমান্ত সিল করা হয় রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে, যা দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট গরমিল নির্দেশ করে।
এই তথ্যগত অসংগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে—আসলে কে সঠিক তথ্য দিচ্ছে এবং কোথায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে দেরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহল থেকে দাবি করা হচ্ছে, সরকারিভাবে সময়মতো সীমান্ত সিল করার নির্দেশনা দেওয়া হলেও বাস্তবে তা কার্যকর করতে দেরি করা হয়েছে, যার ফলে খুনিরা পালানোর সুযোগ পেতে পারে।
এ ঘটনায় প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ভেতরে কোনো সহযোগী ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবিও উঠেছে। পুরো বিষয়টি স্বচ্ছভাবে উদঘাটনের জন্য নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।







