শহীদ শরিফ ওসমান হাদির স্ত্রী ও সন্তানকে ঘিরে অতিরিক্ত আগ্রহ না দেখাতে এবং তার সন্তানের ছবি কোথাও প্রচার না করার অনুরোধ জানিয়েছে হাদির পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনরা।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হাদির পরিবার জানে—তার শত্রুরা পৃথিবীতে তার কোনো চিহ্ন রেখে দিতে চায় না। সে কারণেই জানাজা বা অন্য কোনো স্থানেও তার সন্তানকে উপস্থিত করা হয়নি। এটি পারিবারিক সিদ্ধান্ত এবং সম্পূর্ণ নিরাপত্তাজনিত কারণে নেওয়া হয়েছে।
হাদির স্ত্রী জনসম্মুখে আসছেন না—এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা ব্যাখ্যা আসলেও পরিবার জানায়, এটি পর্দা বা মতাদর্শগত কোনো বাধার কারণে নয়। নিরাপত্তার ঝুঁকির কারণেই তিনি সামনে আসছেন না।
পরিবারের ভাষ্যমতে, হাদি ছিলেন একজন ওপেন-মাইন্ডেড মুসলিম। তাদের পরিবারে নারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী কথা বলেন, বক্তব্য দেন এবং সামাজিক পরিসরে অংশ নেন। হাদির স্ত্রী সামনে না আসার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত।
ঘনিষ্ঠজনরা বলেন, হাদি এমন একজন মুসলিম ছিলেন, যাকে তার শত্রুরা ভয় পেত। তার চিন্তা, অবস্থান ও সম্ভাবনা মুসলিম সমাজের অনেকেই যথাযথভাবে অনুধাবন করতে না পারলেও তার বিরোধীরা তা স্পষ্টভাবে বুঝেছিল।
তারা আরও দাবি করেন, হাদির মৃত্যুর ঘটনায় ফার-লেফট ঘরানার অনেক মানুষ প্রকৃত অর্থে শোকাহত হয়নি। কেউ কেউ সামাজিক মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিবাদ করলেও অন্তরে খুশি ছিল বলেও মন্তব্য করেন তারা।
পরিবার ও অনুসারীদের মতে, ইসলামের শত্রুরা জানে—গোড়া ও সহজ-সরল ইসলামিস্ট দিয়ে ইসলামের প্রকৃত উপকার হয় না। তারা আরও মনে করেন, হাদির মতো ব্যক্তিরাই রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মধ্যমপন্থার আদর্শ বাস্তব জীবনে ধারণ ও বহন করতেন।







