ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য ও লেখালেখি থেকে নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমির।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান। পোস্টে জামায়াত আমির লেখেন, সাম্প্রতিক সময়ে কেউ কেউ জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সংহতি ও সহানুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য ও লেখালেখি করছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, যারা সত্যিই জামায়াতে ইসলামীকে ভালোবাসেন, তাদের উচিত এমন সব কাজ পরিহার করা।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের না থাকার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে জোটের শরিকদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কমপক্ষে ৮০ আসন না ছাড়লে তাদের পক্ষে জোটে থাকা সম্ভব নয়।
এই পরিস্থিতিতে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে জোটের অন্য শরিক দলগুলো আলাদাভাবে বৈঠক করে। বৈঠকের পর খেলাফত মজলিসের একাংশের আমির মাওলানা মামুনুল হক আসন বণ্টন নিয়ে মধ্যস্থতার চেষ্টা করে চরমোনাই পীরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তবে সে চেষ্টা সফল হয়নি। পরে তিনি গভীর রাতে জামায়াতের একজন নেতাকে পুরো পরিস্থিতি অবহিত করেন।
জোটের একাধিক শরিক ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান অবস্থায় জোটে থাকা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তবে চরমোনাই পীরের দল জোটে না থাকলেও বাকি সব দল জোটে থাকার বিষয়ে একমত হয়েছে বলে শরিক দলের নেতারা জানিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে ১১ দলীয় জোটটি ১০ দলীয় জোটে রূপ নিতে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম জানান, জোটের শীর্ষ নেতারা দুপুরের মধ্যে বৈঠকে বসবেন। ওই বৈঠকের পর পূর্বে স্থগিত হওয়া সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হবে। খেলাফত মজলিসের এক নেতা জানান, জোটের শরিকরা ঐক্যবদ্ধ থাকার বিষয়ে একমত হয়েছেন এবং নতুন করে কিছু আসনে বিন্যাস হলেও তাতে সমস্যা হবে না।







