রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সর্দার জহুরুল ইসলাম দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে গণভোটে ‘না’ ভোট দিয়েছেন। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) তার নিজের ফেসবুক আইডিতে ‘না’ ভোট এবং ধানের শীষ প্রতীকে সিল মারা দুটি ব্যালট পেপারের ছবি পোস্ট করলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
কেন্দ্রীয় নির্দেশনার লঙ্ঘন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত এই গণভোটে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল। তবে পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়া) আসনের ভোটার সর্দার জহুরুল সেই নির্দেশনা পাশ কাটিয়ে ‘না’ বাক্সে সিল মারেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে তিনি পরে ‘না’ ভোটের ছবিটি সরিয়ে ফেলেন।
ব্যক্তিগত স্বাধীনতার দাবি এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সর্দার জহুরুল ইসলাম জানান, ভোট দেওয়া তার নাগরিক অধিকার এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার বিষয়। তিনি বলেন, “ভোট দেওয়া তো স্বাধীনতা। যার যেটা ভালো লাগবে সে সেটায় ভোট দেবে। এখানে বাকস্বাধীনতা থাকতে হবে। আমার ‘না’ ভালো লাগছে, তাই ‘না’ দিয়েছি।”
দলীয় প্রতিক্রিয়া দলীয় প্রধানের নির্দেশ অমান্য করে প্রকাশ্যে ‘না’ ভোটের ছবি পোস্ট করার এই ঘটনায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী এই আচরণের জন্য তার বিরুদ্ধে কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
নির্বাচনকালীন সময়ে দলের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এমন অবস্থান তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।






