জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন নেতারা। নির্বাচনী জোট হিসেবে শুরু হলেও এখন ‘১১ দলীয় ঐক্য’ নামে তারা জাতীয় সংসদ ও রাজপথ—উভয় ক্ষেত্রেই সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখবে।
শনিবার লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “আমরা একসঙ্গে নির্বাচন করেছি, সংসদেও একসঙ্গে কথা বলব। সংসদের বাইরে দেশ ও জাতির স্বার্থে প্রয়োজনীয় কর্মসূচিও সমন্বিতভাবে পালন করা হবে।”
১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হবে। ফল ঘোষণার পরদিন রাতেই দ্রুত গেজেট প্রকাশ করায় অনেকে অভিযোগ দায়েরের সুযোগ পাননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে রোববার নির্বাচন কমিশনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দেওয়া হবে বলে জানান।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিজয়ের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো ধোঁয়াশা চলবে না; দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে নেতারা বলেন, এ বিষয়ে কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে; শীর্ষ নেতাদের অনুমোদনের পর তা ঘোষণা করা হবে।
জামায়াতের আমির ও এনসিপি আহ্বায়কের বাসায় তারেক রহমানের যাওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, এটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ। অতীতেও বিভিন্ন ইস্যুতে দলগুলো একসঙ্গে বসেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানেও আলোচনা হয়েছে।
মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক ও ব্রিফিংয়ে বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।







