বরিশাল জেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি সবুজ আকনের বিরুদ্ধে নিজের আপন ভাগনিকে (স্ত্রীর বোনের মেয়ে) ধর্ষণের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তদন্তে প্রাথমিকভাবে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় সবুজের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়েছে। আদালতের জিআরও শফিকুল ইসলাম চলতি সপ্তাহে চার্জশিট গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে সবুজ আকনের স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালে তাঁর সেবাযত্নের জন্য কিশোরী ভাগনিকে বাসায় রাখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেই সুযোগে ২১ আগস্ট বরিশাল নগরীর এসআর রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে সবুজ ওই কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে ঘটনা জানাজানি হলে প্রাণনাশের হুমকির মুখে প্রায় ছয় মাস পর ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মামলা করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবির উপপরিদর্শক গাজী অহিদুল ইসলাম অহিদ তাঁর প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, আসামি সবুজ আকনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
উল্লেখ্য, এই জঘন্য অভিযোগ ওঠার পর গত বছরের ২৫ মে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সবুজ আকনকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে। তবে স্থানীয়দের দাবি, বহিষ্কৃত হওয়ার পরেও তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
অভিযুক্ত সবুজ আকন অবশ্য শুরু থেকেই এই মামলাটিকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ বলে দাবি করে আসছেন। চার্জশিট দাখিলের বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন জানিয়ে বলেন, বিষয়টি তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন।







