ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও গভীর করতে ক্ষেপণাস্ত্র এবং লেজার প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসন্ন ইসরায়েল সফরকে সামনে রেখে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত এই অংশীদারিত্বের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
এই সহযোগিতার আওতায় দুই দেশ যৌথভাবে অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক লেজার অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করবে। এ ছাড়া দূরপাল্লার হামলা সক্ষম অস্ত্র এবং ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নেও একে অপরকে সহায়তার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
বিশেষ সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, এই সফরে কোনো বড় ধরণের নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। বরং দুই দেশ একে অপরের মধ্যে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি আদান-প্রদান এবং কারিগরি জ্ঞান বিনিময়ের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এর ফলে ভারত তার নিজস্ব প্রযুক্তিতে উন্নত অস্ত্রশস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে।
ভারতের নিজস্ব আকাশসীমা সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘মিশন সুদর্শন’ নামক একটি বড় পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। ইসরায়েলের বিশ্বখ্যাত ‘অ্যারো’ এবং ‘আইরন ডোম’ প্রযুক্তির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এই মিশনের সক্ষমতা বাড়াতে ভারত আগ্রহী। ইসরায়েলও তাদের সর্বাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির তথ্য ভারতের সাথে শেয়ার করতে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।
গত কয়েক বছরে ভারত ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই নতুন উদ্যোগ দুই দেশের কৌশলগত মিত্রতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বড় ভূমিকা পালন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।







