সচিবালয়ে আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া। নতুন সরকার গঠনের পর এটি প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌদি রাষ্ট্রদূতের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
সকাল ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নিজ দপ্তরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। এরপর বেলা ১১টার দিকে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া নতুন সরকার গঠন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের পক্ষ থেকে পাঠানো একটি বিশেষ অভিনন্দন বার্তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।
বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘমেয়াদী ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে এই সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠক শেষে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আলোচনায় আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরির বিষয়ে দুই পক্ষ ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে। সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উন্নয়নে তার দেশের অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে এদিন সকাল থেকেই নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ছাড়াও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে, একই দিনে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে বিশেষ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যা নিয়ে সচিবালয় ও আদালত প্রাঙ্গণে বাড়তি কৌতূহল ছিল।







