ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবসহ দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে ব্যাপক মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের এই শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ইসরায়েলের জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা জানিয়েছে, হামলার পর তেল আবিবের বিভিন্ন স্থানে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আহত অন্তত ২১ জনকে উদ্ধার করে ইতোমধ্যে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই ভয়াবহ যুদ্ধের মধ্যেই বড় ধরনের সামরিক সাফল্যের দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানের বার্তা সংস্থা ‘ফার্স নিউজ এজেন্সি’ নিশ্চিত করেছে যে, যৌথ বাহিনীর পরিচালিত বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, এই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভেদী হামলায় কেবল খামেনি নন, বরং তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে খামেনির মেয়ে, জামাতা এবং নাতি রয়েছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনাকে ইরানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও সামরিক বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর দেশটির অভ্যন্তরে এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আইআরজিসি (IRGC) এই হত্যাকাণ্ডের কঠিন প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করে একের পর এক মিসাইল নিক্ষেপ শুরু করায় পরিস্থিতি এখন একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দিকে মোড় নিয়েছে।







