যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের পরিকল্পিত সামরিক পদক্ষেপই মূলত যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে বাধ্য করেছে। তার মতে, ইসরায়েল ইরানে আক্রমণ চালালে তেহরান পাল্টা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই ওয়াশিংটন আগাম হামলার সিদ্ধান্ত নেয়।
রুবিও স্বীকার করেছেন যে, ওয়াশিংটন আগে থেকেই জানত ইসরায়েল ইরানে বড় ধরনের আক্রমণ চালাতে যাচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক পদক্ষেপের সময় নির্ধারণ করে। অর্থাৎ, ইসরায়েলি আক্রমণের পর সম্ভাব্য ইরানি প্রতিশোধ ঠেকাতেই যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণাত্মক ভূমিকা গ্রহণ করে।
তবে রুবিওর এই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিয়েকো। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “মার্কো রুবিও মূলত প্রকাশ্যে স্বীকার করছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলিদের ফাঁদে পড়েছে।”
গ্রিয়েকো আরও উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর ইসরায়েলকে বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা দিয়ে থাকে। কিন্তু এখন সময় এসেছে খতিয়ে দেখার যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাতীয় স্বার্থ আসলে কোথায় এক এবং কোথায় ভিন্ন। তার মতে, মিত্রতার দোহাই দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে টেনে আনা হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখন নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে গুরুতর আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।







