রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় অবস্থিত শেখ জনুরুদ্দীন (রহ.) দারুল কুরআন মাদ্রাসায় শুক্রবার সকালে কিছু মুসল্লি পবিত্র ঈদের জামাত আদায় করেছেন।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলাতেও কয়েকটি স্থানে আগাম ঈদুল ফিতর উদ্যাপিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে চাঁদপুর, বগুড়া, নওগাঁ, দিনাজপুর, জামালপুর, ফরিদপুর, মৌলভীবাজার, ঝালকাঠি, কিশোরগঞ্জ, পটুয়াখালী ও মাদারীপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বগুড়ার গাবতলী, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার কয়েকটি গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করেন দেড় শতাধিক মুসল্লি। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার প্রায় ৪০টি গ্রামে ঈদ উদ্যাপন করা হয়। হাজীগঞ্জের সাদ্রা দরবার শরিফে অনুষ্ঠিত জামাতে ইমামতি করেন পীরজাদা ড. বাকী বিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী।
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর এলাকায় প্রায় অর্ধশতাধিক মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। দিনাজপুরের সদরসহ ছয়টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথকভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার কাজিয়াপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার নয়টি গ্রামে পাঁচ শতাধিক মুসল্লি ঈদের নামাজে অংশ নেন।
মৌলভীবাজার শহরের সার্কিট হাউস এলাকায় সকাল ৭টায় একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ডহরশংকর এলাকায় দারুস-সুন্নাহ ঈদগাহ মাঠে কয়েকটি পরিবার ঈদের নামাজ আদায় করে।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার কলাদিয়া গ্রামে শতাধিক মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার সাতটি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ আগাম ঈদ উদ্যাপন করেন।
এছাড়া মাদারীপুরের ২৫টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ঈদুল ফিতর পালন করেছেন। সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের চরকালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জেলার সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়।







