ফরিদপুরে ঈদের নামাজের সময় নির্ধারণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল মুন্সিকে (৩২) সংগঠন থেকে চূড়ান্ত বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের এক লিখিত পত্রে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি শেখ এনামুল করিম স্বাক্ষরিত ওই পত্রে বলা হয়েছে, সোহেল মুন্সির বিরুদ্ধে সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার এসব কার্যকলাপ সংগঠনের আদর্শ ও ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করেছে। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বহিষ্কারাদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের দিন ফরিদপুর সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের মধ্য কাশিমাবাদ গ্রামে। ঈদের নামাজের সময় নির্ধারণ এবং মসজিদের ইমামের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রদল নেতা সোহেল মুন্সির নেতৃত্বে এক পক্ষ অন্য পক্ষের ওপর হামলা চালায়।
এই সংঘর্ষের সময় অন্তত ১৭টি বসতঘর ভাঙচুর ও ব্যাপক লুটপাটের ঘটনা ঘটে। হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হন এবং এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর তদন্তে সোহেল মুন্সির প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা পাওয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় এই কঠোর পদক্ষেপ নেয় জেলা ছাত্রদল।
ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন (অনু) নিশ্চিত করেছেন যে, কোনো নেতার ব্যক্তিগত অপরাধ বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায় সংগঠন বহন করবে না। বহিষ্কৃত সোহেল মুন্সির মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।







