ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইরান তাদের হামলার পরিধি আরও বিস্তৃত করেছে। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মধ্যরাত থেকে সৌদি আরবের তেলসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে প্রায় ৩০টি ড্রোন এবং একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নতুন করে শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে তেহরান।
সৌদি আরবের জন্য এই পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত। কারণ দেশটির মোট তেল ও জ্বালানি মজুদের প্রায় ৭০ শতাংশই এই অঞ্চলে অবস্থিত এবং এখানেই রিয়াদের প্রধান জ্বালানি অবকাঠামোগুলো ঘনীভূত। ইরানের এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ওই অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত করা।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি খাতের ওপর আঘাত হানছে। এর মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখার কৌশল নিয়েছে তেহরান। এই রণকৌশল বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানকে অনেকটা সুবিধাজনক অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে।
তবে ইরান কেবল পূর্বাঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নেই; তারা দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী ইয়ানবুতেও সমান্তরালভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। একের পর এক এই হামলাগুলো কেবল আঞ্চলিক ও বিশ্ব অর্থনীতির ওপর বিশাল চাপ সৃষ্টি করছে না, বরং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্কেরও চরম অবনতি ঘটাচ্ছে।







