যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, তারা যেন বর্তমান পরিস্থিতিতে পরাজয় মেনে নেয়। অন্যথায় দেশটিকে আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ ও ‘কঠোর আঘাত’ সহ্য করতে হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের এই আলোচনার প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। উল্টো লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে দেশটি।
গত তিন সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে দফায় দফায় হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, চলমান এই সংঘাত এখন পুরোপুরি ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’ চলে যাচ্ছে।
গুতেরেসের মতে, এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ চরম অনিরাপত্তা ও ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বিশেষ করে লেবানন সীমান্তে সংঘাত বন্ধ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। তিনি হিজবুল্লাহকে ইসরাইলের দিকে হামলা বন্ধের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি ইসরাইলকেও লেবাননে সামরিক অভিযান ও হামলা বন্ধ করতে বলেছেন, যাতে সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যায়।
এর আগে মার্চের শুরুতে ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলকে গাজার মতো ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। যা এই অঞ্চলে সংঘাতের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। গুতেরেস মনে করেন, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই এই আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত ও নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে পড়েছে।







