যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৫ দফা প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে ইরান এবং বর্তমানে তারা ওয়াশিংটনের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির তাসনিম নিউজ এজেন্সি (Tasnim News Agency)। ইরান এই আলোচনার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত সামনে রেখেছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো লক্ষ্যবস্তু করে হত্যাকাণ্ড ও হামলা বন্ধ করা এবং ভবিষ্যতে আর কোনো যুদ্ধ শুরু হবে না—এমন নিশ্চয়তা প্রদান করা।
তেহরানের পক্ষ থেকে দেওয়া শর্তগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে চলমান সংঘাতের ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং পুরো অঞ্চলে সব ধরনের সংঘাত বন্ধের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। এছাড়া হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণকে তাদের “স্বাভাবিক ও আইনগত অধিকার” হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।
তবে এই আলোচনার মাঝেই যুক্তরাষ্ট্রের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান। তারা বর্তমান এই আলোচনা প্রক্রিয়াকে “প্রতারণা” হিসেবে অভিহিত করেছে। ইরানের অভিযোগ, এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্ববাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক আক্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় সময় নেওয়া।
সূত্রটি আরও জানায়, ইরান কৌশলগতভাবে আলোচনার টেবিলে থাকলেও মার্কিন প্রশাসনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের গভীর সন্দেহ রয়েছে। তাদের মতে, এটি মূলত একটি সামরিক কৌশল যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সময়ক্ষেপণ করছে। এখন দেখার বিষয়, ইরানের এই কঠোর শর্তগুলোর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখায়।







