ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে নতুন করে হামলার হুমকি দিয়েছেন। সম্প্রতি ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে হামলার পর তিনি জানান, পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “ইরানে যা কিছু অবশিষ্ট আছে, তা ধ্বংস করা এখনো শুরুই করিনি। পরবর্তী লক্ষ্য সেতু, এরপর বিদ্যুৎকেন্দ্র।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইরানের নেতৃত্ব জানে তাদের কী করা উচিত এবং তা দ্রুত করা প্রয়োজন।
এর আগে বুধবার টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ওয়াশিংটনের শর্ত না মানলে যুদ্ধ আরও তীব্র হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরানের জ্বালানি ও তেল অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
আন্তর্জাতিক আইনি উদ্বেগ
এই হুমকির প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, এ ধরনের হামলা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, Geneva Conventions অনুযায়ী বেসামরিক জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা নিষিদ্ধ। যুদ্ধের সময় সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।
সংঘাতের প্রেক্ষাপট
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও Israel-এর যৌথ হামলার মাধ্যমে এই সংঘাতের সূচনা হয়। এর জবাবে Iran পাল্টা হামলা চালায়, লক্ষ্যবস্তু হয় ইসরাইল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি।
পরবর্তীতে ইরান ও লেবাননে হামলা-পাল্টা হামলায় হাজারো মানুষ নিহত এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
বৈশ্বিক প্রভাব
এই সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি অস্থির হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০০৩ সালের Iraq War-এর পর এটিই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় সামরিক অভিযান।







