ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে তেহরান। দেশটির খাতাম-আল আনবিয়া সামরিক কমান্ডের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইরান সম্পর্কে শত্রু দেশগুলোর গোয়েন্দা তথ্য অত্যন্ত অসম্পূর্ণ। তারা ইরানের প্রকৃত কৌশলগত শক্তি এবং গোপন সামরিক স্থাপনাগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। বার্তা সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যেসব লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে সেগুলো অত্যন্ত ‘তুচ্ছ’। ইরানের দাবি, তাদের প্রধান প্রধান কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র, দূরপাল্লার ড্রোন এবং আধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছে। এসব সামরিক সরঞ্জাম এমন সব গোপন স্থানে উৎপাদন ও সংরক্ষণ করা হয় যেখানে শত্রুপক্ষ কখনোই পৌঁছাতে পারবে না।
ইরানের সেনাবাহিনী স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, শত্রুদের ‘চূড়ান্ত ও স্থায়ী আত্মসমর্পণ’ না হওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতের জেরে তেহরান এখন আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। আগের হামলাগুলোর চেয়েও সামনের দিনগুলোতে “আরও বিস্তৃত, শক্তিশালী ও বিধ্বংসী” পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির সামরিক কমান্ড।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইরানের এই অনড় অবস্থান এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভেদী ড্রোনের সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, তাদের সামরিক শক্তি ধ্বংস করার যে দাবি ওয়াশিংটন করছে, তা নিছক কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়। তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।






