২০২৩ সালে হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনের সময় রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি স্কাইপ বৈঠককে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ওই বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ যুক্ত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর দলীয় মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানের দাবি, সে সময় শিলংয়ে অবস্থানরত সালাহউদ্দিন আহমদ ইন্টারনেটের মাধ্যমে বৈঠকে অংশ নিয়ে আন্দোলনের কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গুম হওয়ার দাবি প্রচলিত রয়েছে। তবে বিভিন্ন মহলে এ নিয়েও ভিন্ন মত রয়েছে। লোকমুখে শোনা যায়, তিনি ভারতের শিলংয়ে একটি গেস্ট হাউজে অবস্থান করছিলেন। যদিও তার গুম হওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো প্রমাণ বা আলামত প্রকাশ্যে আসেনি।
রাশেদ প্রধান এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, একজন ‘গুম হওয়া’ ব্যক্তি কীভাবে শিলংয়ে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বৈঠকে অংশ নিতে পারেন এবং আন্দোলনের নির্দেশনা দিতে পারেন এটি তার কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি দাবি করেন, তখন থেকেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে আন্দোলনের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও বিষয়টি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনা উঠে এসেছে। বিএনপির এক সংসদ সদস্য দাবি করেন, হাসিনা সরকারের আমলে নিরাপত্তাজনিত কারণে তার এক বন্ধুকে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়।
রাশেদ প্রধানের এমন বক্তব্য ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।







