ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় আগামী ২১ এপ্রিল। এ লক্ষ্যে দলীয় কোটার ভিত্তিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। ইতোমধ্যে দলের মহিলা বিভাগের প্রস্তাবিত একটি তালিকা পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং তালিকার বাইরেও যোগ্য প্রার্থী খোঁজা হচ্ছে।
অন্য দলের তুলনায় জামায়াতে প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ভিড় কম। দলটি কোনো উন্মুক্ত মনোনয়ন ফরম ছাড়ছে না; বরং নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় বাছাইকৃত প্রার্থীদেরই মনোনয়ন দেওয়া হবে।
দলীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অবদান, ত্যাগ এবং সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখার সক্ষমতাকে প্রাধান্য দিয়ে প্রার্থী নির্বাচন করা হচ্ছে। আগামীকাল মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে।
জানা গেছে, বিরোধী দলের ৭৭টি আসনের অনুপাতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পাবে ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসন। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী পেতে পারে ১২টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেতে পারে ১টি আসন।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম জানান, প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া এখনো চলমান। মহিলা বিভাগের প্রস্তাবিত তালিকা চূড়ান্ত নয় এবং নামগুলো এখনো প্রকাশ করা হয়নি। নির্বাহী পরিষদের বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রার্থী নির্বাচনে সাংগঠনিক দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা এবং সংসদে আইন প্রণয়ন বিষয়ে কথা বলার সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আইনজীবীসহ পেশাজীবীদেরও অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। প্রার্থীদের কমপক্ষে ‘রুকন’ পর্যায়ের হওয়া নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সূত্রমতে, সংসদ সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে। ঢাকার বাইরে যেসব এলাকায় দলের সংসদ সদস্য নেই, সেসব এলাকাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক তালিকা প্রকাশ করা হয়নি, তবুও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে কয়েকটি নাম আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় নেত্রীদের মধ্য থেকেও কেউ কেউ মনোনয়ন পেতে পারেন বলে জানা গেছে।







