ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যস্ত সময় পার করছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। এরই মধ্যে স্থানীয় সরকার কাঠামো শক্তিশালী করতে চলতি বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকে ধাপে ধাপে উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। মূলত প্রশাসক নিয়োগের সমালোচনা এড়াতে এবং দ্রুত জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্র ও নীতিনির্ধারকদের মতে, জুন-জুলাইয়ের প্রচণ্ড গরম এবং পরবর্তী বর্ষা মৌসুম নির্বাচনের জন্য অনুকূল নয়। এছাড়া এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও পরবর্তী এইচএসসি পরীক্ষার কারণে বছরের মাঝের সময়টিতে ভোট করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই শীতের সময়টাকেই নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে পাস হওয়া স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) সংশোধন বিল-২০২৬ অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে আর দলীয় প্রতীক থাকছে না। গ্রামীণ সম্প্রীতি রক্ষা এবং নির্বাচনকে উৎসবমুখর করতে দলীয় পরিচয় ছাড়াই প্রার্থীরা অংশ নেবেন। তবে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে বিএনপি অভ্যন্তরীণভাবে কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
মাঠপর্যায়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি ইতিমত্যে শুরু হয়েছে। গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভেঙে দেওয়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত নির্বাচিত প্রতিনিধি ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার। বিএনপি ও প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য দলগুলোও তৃণমূল পর্যায়ে নিজেদের সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রথম ধাপে উপজেলা ও পৌরসভা, এরপর সিটি করপোরেশন এবং সর্বশেষ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।







