দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে বগুড়া সিটি করপোরেশনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ এপ্রিল) বেলা সোয়া ১২টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করা হয়।
বগুড়াকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার উদ্যোগ নতুন নয়। ২০০৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় পৌরসভার আশপাশের ৪৮টি মৌজা যুক্ত করে এর আয়তন বাড়িয়ে ৬৯ দশমিক ৫৬ বর্গকিলোমিটার করা হয় এবং এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে ওয়ার্ড সংখ্যা ১২ থেকে বাড়িয়ে ২১ করা হয়। সে সময় থেকেই বগুড়াকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের পরিকল্পনা থাকলেও নানা প্রশাসনিক জটিলতায় তা বাস্তবায়ন হয়নি।
পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের কাছেও বগুড়াবাসীর পক্ষ থেকে বারবার সিটি করপোরেশন ঘোষণার দাবি জানানো হয়, তবে সেটিও আলোর মুখ দেখেনি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে গতি পায়। সে সময় বগুড়ার তৎকালীন জেলা প্রশাসক হোসনা আফরোজা এ বিষয়ে প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে গণবিজ্ঞপ্তি জারি, স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত ও আপত্তি নিষ্পত্তি এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাঠানো হয়।
এর ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন যুগ্ম সচিব আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ খান গত বছরের ২০ অক্টোবর বগুড়া পৌরসভার কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে জানিয়েছিলেন, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বিজয় দিবসের আগেই সিটি করপোরেশন ঘোষণা করা হবে। যদিও সে সময় নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ হয়নি, অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ বগুড়া সিটি করপোরেশন আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করল।







