বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর অতীত ইতিহাস দেশবাসী জানে এবং জনগণ তাদের সচেতনভাবেই প্রত্যাখ্যান করেছে। শনিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আগামীতে রাজনৈতিকভাবে জামায়াতকে পুরোপুরি নির্মূল করার লক্ষ্য নিয়ে বিএনপি কাজ করবে। জামায়াতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থান ও বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে’— এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এটি জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি অবমাননা। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৮ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের পর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বিশ্ববাসীর কাছে স্বীকৃত।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের প্রশংসিত ওই নির্বাচনে বিএনপি ২১৩টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছে। এমন একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিয়ে জামায়াত আমিরের বিতর্কিত মন্তব্য কেবল অনভিপ্রেতই নয়, বরং সুস্থ রাজনৈতিক চিন্তার পরিপন্থী। তিনি দাবি করেন, একটি বিশেষ পক্ষ বারবার বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অর্জিত গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করছে।
মির্জা ফখরুল দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেন, যারা এই ধরনের ধূম্রজাল তৈরি করছে, তারা দেশকে আবারও স্বৈরাচারের দিকে ঠেলে দিতে চায় কি না, তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। বিএনপি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বদ্ধপরিকর এবং যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে তারা প্রস্তুত।







