চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এক হিন্দু প্রবাসীর স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও লুটপাটের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। গত ২৩ এপ্রিল গভীর রাতে জেলেপাড়ার বাসিন্দা এক প্রবাসীর বাড়িতে এই বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীর স্বামী বিদেশে থাকায় তিনি বাড়িতে একা ছিলেন, সেই সুযোগে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে এই পাশবিক কর্মকাণ্ড চালায় বলে জানা গেছে।
অভিযোগের তীর স্থানীয় বিএনপি নেতা কেফায়েত এবং তার সহযোগী সিডি বাবলুসহ কয়েকজনের দিকে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তরা অস্ত্র ঠেকিয়ে ওই নারীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে এবং ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশপাশের মানুষ এগিয়ে এলেও অভিযুক্তদের রাজনৈতিক প্রভাবে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়।
অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার পরপরই স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ভুক্তভোগী পরিবারকে আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধা দেওয়া এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে রাতেই বিষয়টি ‘মীমাংসা’ করার চাপ দেওয়া হয়। অভিযুক্তরা স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো জেলেপাড়ায় বর্তমানে এক ধরনের ভীতিকর পরিবেশ বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী নারী চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং ভয়ের কারণে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। এমনকি সাংবাদিকদের উপস্থিতিতেও স্থানীয় এক ব্যক্তি ভুক্তভোগীকে হুমকি দিয়ে বলেন যে, বিষয়টি আগেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে জনমনে চাপা ক্ষোভ থাকলেও প্রাণনাশের হুমকিতে কেউই সাক্ষ্য দিতে সামনে আসছেন না।







