সোমবার দেশের চার জেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় নয়জনের করুণ মৃত্যু হয়েছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা ঝড়-বৃষ্টির সময় সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, হবিগঞ্জ ও নোয়াখালীতে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর আগে গত রোববারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
সুনামগঞ্জে হাওরে ধান কাটার সময় পৃথক স্থানে তিন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নে একজন এবং মোল্লাপাড়া ইউনিয়নে আরেকজন কৃষক বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান। এছাড়া জামালগঞ্জ থেকে আসা অন্য এক তরুণ কৃষকও হাওরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মারা যান। একই সময় শান্তিগঞ্জ উপজেলায় আরও তিন কৃষক আহত হয়েছেন।
নেত্রকোণার খালিয়াজুরীতে ধনু নদে মাছ ধরতে গিয়ে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া উপজেলার পৃথক দুটি গ্রামে ধান শুকাতে গিয়ে এবং হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে আরও দুই কৃষকের প্রাণহানি ঘটে। সব মিলিয়ে জেলায় তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলায় বজ্রপাতে দুজন নিহত হয়েছেন। নবীগঞ্জে নিজের জমিতে ধান কাটার সময় এক কৃষক এবং বানিয়াচংয়ে বাড়ির পাশের আঙিনা থেকে ধান আনতে গিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। দুজনের ক্ষেত্রেই বজ্রপাত হওয়ার পর তাঁরা ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নোয়াখালীর হাতিয়ায় বজ্রপাতে মোহাম্মদ আরাফাত হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। দুপুরে বৃষ্টি শুরু হলে রোদে শুকাতে দেওয়া বাদাম ঘরে তোলার জন্য দৌড়ে গেলে আকস্মিক বজ্রপাতে তাঁর মৃত্যু হয়। মূলত ধান ও ফসল ঘরে তোলার মৌসুমে খোলা হাওরে কাজ করতে গিয়েই অধিকাংশ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।







