নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে কেন্দ্র করে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনকে চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিনিকেতন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলামের অনুসারীরা সাব্বিরকে ক্যাম্পাস ছাড়ার আলটিমেটাম দেয় এবং পরে জোরপূর্বক টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়।
ঘটনার সূত্রপাত হয় দুপুরে ভিসি পতনের এক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে। সাব্বির হোসেনের অনুসারীরা ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে এই আন্দোলনের ডাক দিলেও পরে বৃষ্টির কারণে তা স্থগিত করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, শাখা ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে না জানিয়ে এবং দলীয় ব্যানার ব্যবহার না করে কর্মসূচি দেওয়ায় অন্য পক্ষটি ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলা চালায়।
আক্রান্ত নেতা সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, ভিসি পতনের ডাক দেওয়ায় এবং উপাচার্যের কাছ থেকে সুবিধাভোগী একটি গোষ্ঠী তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সাব্বির অভিযোগ করেন, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ইন্ধনেই সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম তাঁর ওপর সরাসরি হামলা করেছেন।
তবে অভিযুক্ত সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম দাবি করেছেন, এটি তাঁদের অভ্যন্তরীণ একটি সামান্য মনোমালিন্য ছিল, যা শিক্ষকদের উপস্থিতিতে সমাধান করা হয়েছে। ভিসি পতনের ইস্যু নিয়ে কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, বিষয়টি এখন মীমাংসিত।
শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান ঘটনার বিষয়ে বলেন, কর্মসূচি ঘোষণা নিয়ে সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে কিছুটা ধাক্কাধাক্কি হয়েছিল। সাব্বির হোসেন দলীয় ব্যানার ছাড়া কর্মসূচি দিয়ে সংগঠনকে হাসির পাত্র বানিয়েছেন বলে তাঁরা আপত্তি জানিয়েছিলেন। তবে দিনশেষে সবার সঙ্গে আলোচনা করে এবং একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে বিষয়টি মিটমাট করা হয়েছে বলে তিনি জানান।







