চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আমন্ত্রণে আগামী ১৩ থেকে ১৫ মে চীনে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১১ মে) বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রায় ৯ বছর পর এটি কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম চীন সফর হতে যাচ্ছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেইজিং পৌঁছাবেন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানানো হবে এবং এরপর দুই নেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সফরকালে ট্রাম্প বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক ‘টেম্পল অব হেভেন’ পরিদর্শন করবেন এবং তাঁর সম্মানে আয়োজিত এক রাজকীয় নৈশভোজে অংশ নেবেন।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা নিরসন এবং বৈশ্বিক নানা সংকট নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান কেন্দ্রিক চলমান যুদ্ধ, তাইওয়ান ইস্যু, ট্যারিফ বা শুল্ক নীতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এই শীর্ষ বৈঠকে প্রাধান্য পেতে পারে। এর আগে গত মার্চে এই সফর হওয়ার কথা থাকলেও ইরান সংকটের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে চীন-মার্কিন সম্পর্কের নতুন সমীকরণ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে এর প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সফরের শেষ দিন অর্থাৎ শুক্রবার (১৫ মে) দুই নেতা একটি ওয়ার্কিং লাঞ্চে অংশ নেওয়ার পর ট্রাম্প ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।







