কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল বারীকে আকস্মিক প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) কুমিল্লার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিশেষ আদেশে এই বদলি ও সংযুক্তির তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দাউদকান্দি মডেল থানার দুই উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে সম্প্রতি ১৬০ কেজি গাঁজা জব্দ করার পর তা গোপনে বিক্রি করে দেওয়ার একটি গুরুতর অভিযোগ ওঠে। সোমবার সন্ধ্যায় এই চাঞ্চল্যকর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে পুরো জেলাজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। মূলত এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওসির বিরুদ্ধে এমন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন বিদায়ী ওসি আবদুল বারী। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত বিদ্বেষের জেরে একটি নির্দিষ্ট পত্রিকায় তাঁর বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। আর সেই ভিত্তিহীন প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে এই প্রত্যাহারের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
দাউদকান্দি মডেল থানায় মাদক বিক্রির মতো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি দাবি করে ওসি আবদুল বারী আরও বলেন, ‘যদি আমার বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ বিন্দুমাত্র প্রমাণিত হয়, তবে আমি প্রয়োজনে চাকরি ছেড়ে দেব। কিন্তু কোনো ধরনের অপবাদ মাথায় নিয়ে আমি কর্মস্থল ছাড়ছি না।’ এই অন্যায়ের প্রতিকার চেয়ে তিনি ইতোমধ্যে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান।







