গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব শেষ হয়। গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো সময় জুড়েই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণ ও বিচারের দাবি নানা মহলে একাধিকবার জোর আলোচনায় আসে।
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী ও বিশেষ প্রতিনিধি জয়নাল আবেদীন রাষ্ট্রপতির একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। সেই সাক্ষাৎকার ও প্রাসঙ্গিক সংবাদ প্রকাশে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে ইতিবাচকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয় এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ ওঠে।
বিভিন্ন ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠানের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নির্বাচন পরবর্তী মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে শুধু রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে কেন্দ্র করেই কালের কণ্ঠ তাদের ফেসবুক, ইউটিউব ও ওয়েবসাইটে অন্তত ২৬টি কনটেন্ট প্রচার করেছিল। এর মাধ্যমে স্বৈরাচারের দোসর ও ছায়া হিসেবে পরিচিত গোষ্ঠীর পক্ষালম্বন করার অভিযোগ উঠেছে ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের মালিকানাধীন সংবাদমাধ্যমটির বিরুদ্ধে।
এদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেরিতে হলেও অবশেষে জাতির ওপর থেকে ‘স্বৈরাচারের কালো ছায়া’ দূর হয়েছে।







