সাতক্ষীরায় নারীঘটিত একটি ভিডিও ফুটেজ ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে জেলা ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলার ৯ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন আব্দুর রকিব ঝনু (৪০)। শুক্রবার ভোররাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ঝনু সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়নের শ্রীরডাঙা গ্রামের ডা. আব্দুর রশিদের ছেলে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৮ আগস্ট রাতে স্থানীয় বিরোধের জের ধরে শ্রীরডাঙার মোড়ে এক চায়ের দোকানে একটি হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুরুল আলম বাপ্পী ও তাঁর সমর্থকদের রডের আঘাতে আব্দুর রকিব ঝনু মাথায় গুরুতর আঘাত পান। প্রথমে তাঁকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত ঝনুর পরিবারের পক্ষ থেকে নয়, বরং অপর এক ব্যক্তি বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটির বাদী ও এজাহারভুক্ত আসামিদের পরিচয় নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ভিকটিমের মৃত্যুর আইনি কাগজপত্র পাওয়ার পরপরই বিদ্যমান মামলাটিতে ৩০২ ধারা (হত্যা মামলা) সংযুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হবে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা বাপ্পীর দাবি, প্রতিপক্ষ ইউপি সদস্য লাল্টু ও তাঁর সমর্থকরা তাঁদের ওপর আগে হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে আহত করেছিল। এ নিয়ে গত ৯ আগস্ট তাঁরা লাল্টু মেম্বারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে পাল্টা একটি মামলা দায়ের করেন এবং পুলিশি ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিক্ষোভ সমাবেশও করেন।







